Tag Archives: এজাজ আহমদ

১৯৭১ সালের স্মৃতি: কেন কোটি শরণার্থী?

 

© Raghu Rai / India Quarterly

© Raghu Rai / India Quarterly

১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি—অর্থাৎ  পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায়—বাংলাদেশে পাকিস্তান বাহিনীর নয় মাসব্যাপী গণহত্যা ও নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞের বিবরণ সম্বলিত একটি বড় পুস্তিকা প্রকাশিত হইয়াছিল নয়াদিল্লি হইতে। প্রকাশ করিয়াছিলেন, ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স’ বা ‘ভারতীয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিষদ’ নামের একটি স্বশাসিত সংস্থা। বইয়ের সম্পাদক পরিচয়ে বিশেষ কাহারও নাম ছাপা হয় নাই। তাই আমরা ধরিয়া লইতে পারি সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল বা মহা সম্পাদক বলিয়া যাঁহার নাম মুদ্রিত তিনি—এস.এল. পপলাই মহোদয়—বইটি সম্পাদনা করিয়াছিলেন। অবশ্য সম্পাদকই শেষ কথা নহে। পুস্তিকাটির আরও একটি বিশেষত্ব আছে। ইহার মুখবন্ধ লিখিয়াছিলেন স্বনামধন্য ফরাশি সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ আঁদ্রে মালরো (১৯০১-১৯৭৬)। খোঁজখবর যতদূর লইতে পারি লইলাম, দেখিলাম বইটির খবর বেশি লোকের কানে পৌঁছায় নাই। মালরোর লেখা মুখবন্ধের কথাও তথৈবচ। এমনকি মাহমুদ শাহ কোরেশী ১৯৮৬ সালে আঁদ্রে মালরোর উপর যে বই ছাপাইয়াছিলেন তাহাতে মুক্তিযুদ্ধ আর যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ লইয়া অনেক কথা থাকিলেও এই মুখবন্ধটির কথা পাওয়া গেল না।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী গণহত্যায় মাতিয়া উঠিয়াছিল, তখন প্রতিবেশী ভারতের বুদ্ধিজীবীদের তরফে দিল্লি শহরে এক দফা আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবী সম্মেলন ডাকা হয়। আঁদ্রে মালরোকেও দাওয়াত দেওয়া হয় সেই সম্মেলনে। মালরো সম্মেলনে অংশগ্রহণ করিতে রাজি না হইয়া পত্রযোগে পাল্টা একটা আস্ত বিবৃতি প্রকাশ করিয়াছিলেন। মালরোর বিবৃতি প্রকাশ পায় ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। সে বিবৃতিতে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। প্রথম বিবৃতির কিছু পরে আরেক বিবৃতিযোগে মালরো বলিয়াছিলেন, ‘ফাঁকা বুলি আওড়াবার অভ্যাস আমার নেই; তাই বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ করবার প্রস্তাব আমি দিয়েছি।’ (কোরেশী ১৯৮৬: ৯৩)

আঁদ্রে মালরো (১৯০১-১৯৭৬)

আঁদ্রে মালরো (১৯০১-১৯৭৬)

মালরোর এই প্রস্তাব বাংলাদেশের পক্ষে অমৃতস্বরূপ কাজ করিয়াছিল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিকসনের কাছেও চিঠি লিখিয়াছিলেন। আহ্বান জানাইয়াছিলেন, পাকিস্তান যাহাতে গণহত্যা বন্ধ করে আমেরিকা তাহার ব্যবস্থা করুক। ১৯৭১ সালের শেষভাগে—৩ ডিসেম্বর তারিখে—ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হইবার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জাঁ কে নামক একজন ফরাশি যুবক প্যারিসে একটি পাকিস্তানী বিমান হাইজ্যাক করিতে উদ্যোগী হইয়াছিলেন। পরে পুলিশ তাহাকে গ্রেপ্তার করিয়া বিচারে সোপর্দ করে। কে দাবি করিয়াছিলেন তিনি মালরোর লেখা পড়িয়া অনুপ্রাণিত হইয়াছিলেন। আদালতে কের সমর্থনে সাক্ষ্য দিতে গিয়াছিলেন আঁদ্রে মালরো। কেহ কেহ বলেন, খুব সম্ভব মালরোর সাক্ষ্যের কল্যাণেই জাঁ কে মাত্র পাঁচ বছরের দণ্ড লাভ করেন। (জহির ২০১৫ এবং কোরেশী ১৯৮৬: ৮৪)

সম্প্রতি বাংলাদেশের কয়েকজন নবীন লেখক পুস্তিকাটির বাংলা সংস্করণ প্রকাশে উদ্যোগী হইয়াছেন। তাই আমারও সৌভাগ্য ঘটিল বইটি আদ্যোপান্ত একবার পড়িয়া দেখার। মনে হইল, ১৯৭১ সালের ইতিহাস লইয়া যে সকল প্রশ্ন এখনও জীবন্ত আছে তাহার কোন কোনটির উত্তর এই বইতে পাওয়া যাইবে। সেই উত্তরে পৌঁছিবার আগে বইটির আরেক বিশেষত্বের কথাও বলিতে হয়। এই বইয়ে মোট ছাব্বিশ জন সাক্ষীর জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করা হইয়াছিল। ছাব্বিশের মধ্যে উনিশজন বাংলাদেশের নাগরিক—যাঁহারা পাকিস্তানী নির্যাতনের শিকার অথবা প্রত্যক্ষ সাক্ষী। পরকালে বিখ্যাত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কিংবা চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান কি সৈয়দ আবুল বারক আলভি তাঁহাদেরই কয়েকজন। সাক্ষীদের মধ্যে আর সাতজন ছিলেন বিভিন্ন পরিসরে সাহায্য করিতে আগাইয়া আসা খ্রিস্টান মিশনারি সমাজের কর্মী। দেখিতেছি তাঁহাদের মধ্যে দুনিয়াজোড়া খ্যাতনাম্নী মাদার তেরেসাও আছেন।

এই বইয়ের মূল সম্পদ এই ছাব্বিশটি জবানবন্দীর সংক্ষিপ্তসার। এইগুলি গ্রহণ করিয়াছিলেন তিনজন ভারতীয় সাংবাদিক—দুইজন পুরুষ ও একজন নারী—যথাক্রমে খগেন দে সরকার, সুধীন্দ্রনাথ চৌধুরী ও অমিতা মালিক। বাংলাদেশের পক্ষ হইতে তাঁহাদের সহায়তা করিয়াছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের দুই সহকারী—[ব্যারিস্টার] আমিরুল ইসলাম ও [ব্যারিস্টার] মওদুদ আহমদ। জবানবন্দীগুলি গ্রহণ করা হইয়াছিল ১৯৭১ সালের একেবারে শেষের দিকে—নবেম্বর মাসের শেষ নাগাদ। বইটির ‘আবাঁ-প্রপো’ বা মুখবন্ধযোগে আঁদ্রে মালরো সাহেব দুইটি কথা বিশেষভাবে স্মরণ করিয়াছিলেন। বাংলাদেশ হইতে কত মানুষ ভারতে আশ্রয় প্রার্থনা করিয়াছিলেন? মালরোর মতে, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশে গণহত্যার মতন মানবজাতি-বিরোধী অপরাধ যে ঘটিয়াছিল তাহার নগদ প্রমাণ এই সত্য হইতেই পাওয়া যায়। সত্য বলিতে কি—এই প্রমাণ দেখিয়াই তিনি এবং তাঁহার বন্ধুরা বাংলাদেশের পক্ষে লড়াই করিবার জন্য তৈরি হইয়াছিলেন।

নিজের সিদ্ধান্তের সপক্ষে যুক্তি দেখাইবার উদ্দেশ্যে মালরো তাঁহার জানা পুরানা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করিতে কুণ্ঠিত হন নাই। ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির হাতে ফরাশিদেশের পরাজয় ও পতনের পর সে যুগের ফরাশি উপনিবেশ সিরিয়ায় উপস্থিত জনৈক ফরাশি সেনা কর্মকর্তা—পদবীতে মেজর পর্যায়ের—জেনারেল দা গলকে বলিয়াছিলেন, ‘ঘটনাটা আসলে কি ঘটিতেছে আমরা তো ভাল করিয়া জানি না। এখন কোন দিকে যে যাই!’ উত্তরে দা গল বলিয়াছিলেন, ‘জানি না কথাটা হয়তো মিথ্যা নয়, তবে কে যেন আমাকে বলিতেছে জার্মানরা তো প্যারিসে।’ এই উপকথার রেশ টানিয়া মালরো বলিয়াছিলেন, সারা দুনিয়া বেশ ভালোভাবেই জানিত এইবার এক কোটি হিন্দু শরণার্থী ভারতে গিয়া হাজির। এই জায়গায় মালরো অবশ্য অসাবধানতাজনিত একটি ভুল করিয়াছিলেন—এক কোটি শরণার্থীর সকলে নিশ্চয়ই হিন্দু ছিলেন না। আঁদ্রে মালরোর দ্বিতীয় যুক্তিটি ছিল অবশ্য একান্তই অকাট্য। এয়াহিয়া খান খাস করিয়া বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী বা এলিটও হত্যা করিতেছিলেন। এই হত্যাকাণ্ড ছিল জাতি ধর্ম নির্বিশেষে—কোন প্রকার বাছবিচার না করিয়াই। যাহারা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলকে ভোট দিয়াছিলেন—কি মুসলমান কি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান—সকলকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী হত্যা করিতেছিল। এ সত্যে পৃথিবীর সন্দেহ ছিল না।

১৯৭১ সালের যুদ্ধে—বিশেষত শেষভাগে—ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও শরিক হইতে হইয়াছিল। তাহার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের ভিতরে যে গেরিলা যুদ্ধ চলিতেছিল তাহাতে—অর্থাৎ বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীতে—যাহারা নাম লিখাইয়াছিলেন তাহাদের মধ্যে কতজনই বা ধর্মে হিন্দু শ্রেণীভুক্ত ছিলেন! আর মুসলমান কতজন ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে? তাহাতেই বোঝা যায় বাংলাদেশের হিন্দু ও মুসলমান একযোগে লড়িয়াছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানী দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। মালরো লিখিয়াছেন, এ যুদ্ধ তো ধর্মে আর ধর্মে লাগে নাই। এ যুদ্ধ বাধিয়াছিল জাতিতে জাতিতে। আঁদ্রে মালরোর ভাষায়, এ যুদ্ধ ছিল ‘এসলামাবাদের মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঢাকার মুসলমানদের যুদ্ধ।’ এক অর্থে কথাটা ষোল আনা না হইলেও চৌদ্দ আনাই সত্য।

সকলেই জানেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা মানিয়া লইতে পাকিস্তান এবং আরব জাহানের প্রতিক্রিয়াশীল রাজতন্ত্রগুলি শেষ পর্যন্ত বাধ্য হইয়াছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক মর্যাদা মানিয়া লইতে ইঁহারা আজও পারেন নাই। পাকিস্তান যদি সত্য সত্যই মনে করিত, বাংলাদেশ ছাড়া তাহাদের চলিবে না—পৃথিবীতে না হউক, অন্তত দক্ষিণ এশিয়ায় সে একঘরে হইয়া পড়িবে—তো বাংলাদেশের সহিত তাহার নেতারা যে ব্যবহার করিয়াছেন সেই ব্যবহার কদাচ করিতেন না। পরকালে অন্তত তাহারা শাস্তির মুখোমুখি হইতেন। না, পাকিস্তান আজও ১৯৭১ সালের দায়মোচন করিতে আগাইয়া আসে নাই। পাকিস্তানের এমন একযুগ গিয়াছে যখন তাহাকে শিশুরাষ্ট্র বলার রেওয়াজ ছিল। মনে হইতেছে, এখনও দেশটি প্রাপ্তবয়স্ক হয় নাই। এতদিনে তাহাদের দিনকাল ভালই যাইতেছে। ইহাতেই বুঝা যাইতেছে বাংলাদেশকে সেকালে তাহারা নিছক উপনিবেশই ভাবিয়াছিলেন। আগের দিনে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র ও এয়ুরোপিয়া বর্ণবাদীরা যে ধরণের আচরণ করিতেন তাহারাও সেই আচরণেরই পুনরাবৃত্তি করিয়াছিলেন মাত্র।

১৯৭১ সালের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে যে নির্দয় আচরণ করিয়াছিল তাহাকে এক মুসলমানের দেশে আরেক মুসলমানের আচরণ বলা যায় না—সে ছিল আফ্রিকা কি এশিয়ার তথাকথিত ‘অসভ্য’ বা ‘বর্বর’ দেশে সভ্য এয়ুরোপিয়া জাতির বর্ণবাদী, মানবতন্ত্রবিরোধী আচরণ বিশেষ। আঁদ্রে মালরো—আজ হইতে ৪৪ বছর আগে—লিখিয়াছিলেন, এই সত্যে যদি কাহারও সন্দেহ থাকে তাহারা এখানে একত্রিত ছাব্বিশ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ পড়িয়া দেখিতে পারেন।

aijaz-ahmad

এজাজ আহমদ

আঁদ্রে মালরোর বক্তব্যের তাৎপর্য বুঝিতে আরও সহায় হইবে যদি আমরা সেই সময়ের কোন কোন বামপন্থী বুদ্ধিজীবীর বক্তব্য স্মরণ করিতে পারি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যাভিযান শুরু হইবার দুই সপ্তাহের মাথায় চারিজন পাকিস্তানী বুদ্ধিজীবী—বিদেশে প্রবাসী অবস্থায়—পাকিস্তানী বর্বরতার নিন্দা করিয়া বিবৃতি প্রকাশ করিয়াছিলেন। এই বুদ্ধিজীবীদের একজন—এজাজ আহমদ—১৯৭১ সালের ১ নবেম্বর তারিখে লেখা এক নিবন্ধে স্বীকার করিয়াছিলেন যে বাংলাদেশ হইতে কোটির মতো শরণার্থী ভারতে পার হইয়াছেন। এই বর্বরতা শেষ না হইলে আরো কোটির মতো যে পার হইবে তাহার সম্ভাবনাও উড়াইয়া দেওয়া যায় না। তবে তিনি সঙ্গে একথা বলিতেও কসুর করেন নাই—শরণার্থীরা তো গরিব মানুষ! তাহাদের দেশত্যাগে পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক গোষ্ঠীর কিছু আসে যায় না। (আহমদ ১৯৭১: ১১, ১৪)

একটা জায়গায় আসিয়া তিনি বিপদেই পড়িয়া গিয়াছেন। তিনি বলিয়াছিলেন, এই কোটি শরণার্থীর নিজ দেশ ত্যাগ করিয়া ভারতে যাওয়ার ঘটনাকে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধ ঘোষণার সামিল গণ্য করা যায়। তবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও পরকালের সাম্প্রদায়িক সংঘাত প্রভৃতি ঘটনা স্মরণে রাখিলে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের দেশত্যাগকেও যুদ্ধ ঘোষণার মর্যাদা দেওয়া যাইবে কিনা তিনি সন্দিহান ছিলেন। এজাজ ভবিষ্যদ্বাণী করিয়াছিলেন, পাকিস্তানী সামরিক চক্র আর নতুন করিয়া ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামিবে না। (আহমদ ১৯৭১: ১৪)

এজাজ আহমদ তখন ছিলেন তরুণ বামপন্থী। পাকিস্তান ভাঙ্গিয়া যাওয়ায় তিনি সত্যই ব্যথা পাইয়াছিলেন। এই ব্যথায় তাঁহার চোখও কিছু ঝাপসা হইয়া গিয়াছিল। মালরোর পাশাপাশি তাঁহার বিশ্লেষণ পাঠ করিলে পরিষ্কার হয় মালরো কেন ভুয়োদর্শী আর এজাজ কেন রাতকানা। এজাজ আহমদ কিংবা তাঁহার বন্ধু একবাল আহমদ যাহা দেখিতে পান নাই তাহা মালরো দেখিয়াছিলেন বৈকি! এক কোটি শরণার্থী মালরোর কাছে নিছক একটা সংখ্যা ছিল না। এজাজ আহমদ ও তাঁহার বন্ধুদের লেখা এই এত বছর পর পড়িয়া আমার মনে সন্দেহ জাগিতেছে পাকিস্তান পথিকদের মধ্যে সবচেয়ে কম পাকিস্তান পথিক যিনি তিনিও কি তাহা হইলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান পথিকের অধিক ছিলেন না?

 

দোহাই

১.     মাহমুদ শাহ কোরেশী, অঁদ্রে মালরো: শতাব্দীর কিংবদন্তী (ঢাকা: আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, ১৯৮৬)।

২.     [S.L. Poplai, ed.,] How Pakistan Violated Human Rights in Bangladesh: Some Testimonies (New Delhi: Indian Council of World Affairs, 1972).

৩.    Aijaz Ahmad, ‘Bangladesh: India’s Dilemma,’ Pakistan Forum, vol. 2, no. 2 (November 1971), pp. 11-15.

৪.     Quazi Sajjad Ali Zahir, ‘Salute to Jean Kay,’ in D.C. Katoch and Quazi Sajjad Ali Zahir, eds., Liberation: Bangladesh 1971 (New Delhi: Bloomsbury Publishing, 2015).


Copyright 2016 Salimullah Khan