‘‘পুষ্প বৃক্ষ এবং বহিঙ্গ পুরাণ’’ ও মার্কিনদেশের ডানাহম পরিবার

সকলেই জানেন মহাত্মা আহমদ ছফা এন্তেকাল করিয়াছেন ইংরেজি ২০০১ সালের ২৮ জুলাই। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না মাত্র এক মাস আগে — মোতাবেক ২৮ জুন ২০০১ তারিখে —  অধুনালুপ্ত দৈনিক ‘আজকের কাগজ’ পত্রিকায় তিনি তাঁহার মার্কিন বান্ধবী বেগম মেরি ফ্রান্সিস ডানাহ্মের সদ্যপ্রয়াত স্বামী ড. ড্যানিয়েল ডানাহ্ম সম্বন্ধে একটি নাতিহ্রস্ব রচনা প্রকাশ করিয়াছিলেন। ঐ বছরের গোড়ার দিকে ড. ডানাহ্ম মার্কিন মুলুকের নয়া ইয়র্ক শহরে দেহত্যাগ করেন।

মেরি ডানাহ্মের সহিত আহমদ ছফার কিভাবে পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয় তাহার বিবরণ আমরা দুই জায়গাতেই পাইতে পারি। এক মেরির লেখায়, বিশেষ চিঠিপত্রে, আর পাইতে পারি আহমদ ছফার পত্রাবলি যখন পূর্ণাঙ্গে প্রকাশিত হইবে তখন। আহমদ ছফার সহিত মেরির অনেক পত্রালাপ হইয়াছিল। আহমদ ছফা লিখিয়াছেন, ‘এ পর্যন্ত মেরিকে আমি যত চিঠি লিখেছি এবং মেরি আমাকে যত চিঠি লিখেছেন তা সংগ্রহ করে প্রকাশ করলে চারশ পাতার একটা বই দাঁড়িয়ে যাবে।’ (ছফা ২০১১: ১৫৩)

আমরা আশা করি আহমদ ছফার জীবনচরিত যাঁহারা লিখিবেন তাঁহারা এই মূল্যবান দলিলের সন্ধান ও সদ্ব্যবহারে আগুয়ান হইবেন। ইতিমধ্যে একজন লেখক আহমদ ছফার সহিত মেরির পরিচয় কাহিনী খোদ মেরির জবানিতে প্রকাশ করিয়াছেন। (উদ্দীন ২০১১: ১০৩-১০) মেরি ডানাহ্ম ও আহমদ ছফা উভয়ের বিবৃতি হইতে জানা যায় তাঁহাদের পরিচয় ঘটিয়াছিল ঢাকায়, ইংরেজি ১৯৯৫ সালের গরম কালে। আহমদ ছফা তখন ১২ ময়মনসিংহ রোডের বাসায় থাকিতেন। বলা প্রয়োজন এই বাসাতেই তাঁহার আয়ুর অবসান হয়। মেরি আসিয়াছিলেন তাঁহার প্রকাশিতব্য গবেষণা পুস্তক ‘জারিগান’ গবেষণা সম্পন্ন করিতে। এই গবেষণা তিনি শুরু করিয়াছিলেন ১৯৬০ সালের পর কোন এক সময়। তখন জসীম উদদীন তাঁহার সহায় হইয়াছিলেন। মেরি তখন হইতেই বাংলা শিখিতে শুরু করেন। এক সময় তিনি আহমদ ছফার কক্ষেও পড়াশোনা করিয়াছিলেন।

মেরির সহিত আহমদ ছফার বন্ধুত্ব ফলপ্রসূ হইয়াছিল। আমরা শুধু একটা বিষয়ে কথা সীমিত রাখিব। ১৯৯৬ সালের দিকে আহমদ ছফা ‘পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ’ নামধেয় নতুন উপন্যাসটি লিখিয়াছিলেন। এই উপন্যাসটির ইংরেজি তর্জমা করার অভিলাষ জাগিয়াছিল আহমদ ছফার। যোগ্যতর অনুবাদকের অপেক্ষা না করিয়াই আহমদ ছফা নিজ হস্তে এই অসাধারণ গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ শুরু করিয়া দেন। এমন সময় মেরি একদিন তাঁহার সহিত পুনরায় সাক্ষাৎ করিলেন। এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল মেরির জারিগান সম্পর্কে আহমদ ছফার নির্দেশনা লাভ। আর আহমদ ছফাও তখন যোগ্যতর কোন অনুবাদক বা সম্পাদক খুঁজিতেছিলেন। এই শুভ যোগাযোগের ফলাফল ব্যর্থ হইবার আগেই আহমদ ছফা লোকান্তরে গিয়াছেন। ‘পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ’ পুস্তকের ইংরেজি অনুবাদটি এখনো প্রকাশের পথে বা গন্তব্যে পৌঁছায় নাই।

ড্যানিয়েল ডানাহ্মের স্মৃতিতে আহমদ ছফা যে নিবন্ধ লিখিয়াছেন তাহাতে এই যোগাযোগের কাহিনী কিছু পরিমাণে বয়ান করা হইয়াছে। লাভের মধ্যে আমরা এই উপন্যাসটির জন্ম কি করিয়া সম্ভব হইয়াছিল তাহারও সামান্য বিস্তার পাইয়াছি। এইটুকুই বাড়তি পাওনা।

আহমদ ছফা জানাইয়াছেন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে এক ধরনের মানসিক উদ্বেগাকুল মুহূর্তে — লেখকের ভাষায় একটা ‘কিংকর্তব্যবিমূঢ় মানসিক অবস্থা’য় — তিনি উপন্যাসটি লিখিয়া ফেলেন। খানিক উদ্ধৃতি পেশ করিলে বিশেষ অবস্থাটা হয়তো পরিষ্কার হইবে:

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত চলছিলো, সে সময়টিতে মানসিকভাবে আমি অত্যন্ত উতলা হয়ে পড়েছিলাম। আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য যেভাবে অনবরত হরতাল ইত্যাদি করে যাচ্ছিলো, সেগুলোর সঙ্গে আমি মন মেলাতে পারছিলাম না। অন্যদিকে বিএনপিকে সমর্থন করাও আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই কিংকর্তব্যবিমূঢ় মানসিক অবস্থাতেই আমি একটি উপন্যাস লেখার কাজে হাত দেই এবং ‘পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ’ উপন্যাসটি লিখে ফেলি। অল্পদিনের মধ্যেই লেখাটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। (ছফা ২০১১: ১৫২)

 যে অস্থিরতা হইতে বইটির জন্ম সেই অস্থিরতায় আবার ইহার নবজন্মের — মানে ইংরেজি তর্জমারও — কারণ হইয়া দাঁড়াইল। আহমদ ছফা লিখিয়াছেন, ‘দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ছিলো। আমি ছিলাম মানসিকভাবে প্রচণ্ড রকম অশান্ত। নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্যে উপন্যাসটি ইংরেজি করা যায় কিনা চেষ্টা করছিলাম। প্রিসিলা [রাজ] নামের একটি স্নেহভাজন মেয়ে আমাকে সাহায্য করতে রাজি হলো। আমি মূলত বই দেখে ইংরেজিটা বলে যেতাম, প্রিসিলা লিখে নিতো। এইভাবে অনুবাদ কাজটি শেষ করে ফেলি।’ (ছফা ২০১১: ১৫২)

এমতাবস্থায় মেরি ডানাহ্মের সহিত আহমদ ছফার ‘যোগাযোগের সেতু’ তৈরি হইল। প্রিসিলা রাজের সহায়তায় আহমদ ছফা যে অনুবাদ প্রস্তুত করিয়াছিলেন, তাহা আহমদ ছফার সহায়তায় মেরি ডানাহ্ম সংশোধন করিলেন। সেই সংশোধিত অনুবাদটি সংশোধনে আমি — মানে এই নিবন্ধের লেখক — মেরিকে যথাসাধ্য সাহায্য করিয়াছিলাম। মেরি আমার সকল পরামর্শ গ্রহণ না করিলেও আমাকে ধন্যবাদ দান করিতে কুণ্ঠা করেন নাই। আমার যৎসামন্য সহায়তার কথা তিনি যে আহমদ ছফার কাছেও প্রকাশ করিয়াছিলেন তাহার প্রমাণ আহমদ ছফার শেষ জীবনের এই ডানাহ্ম স্মৃতিনিবন্ধটিতেও পাইতেছি। (ছফা ২০১১: ১৫৩)

দুর্ভাগ্যের মধ্যে সেই ইংরেজি তর্জমাটি অদ্যাবধি যোগ্য প্রকাশকের অভাবে কোন চিলেকোঠায় পড়িয়াই রহিয়াছে। একপ্রস্ত আমার ঘরেও সেদিন খুঁজিয়া পাইয়াছি। তাহাতে শুধুমাত্র দুইটি অধ্যায় পাওয়া যাইতেছে না। মেরির তর্জমাটি আমার বিচারে আরো একটু সম্পাদনা করিয়া প্রকাশ করা অসম্ভব হইবে না। কেহ ইচ্ছা হয় সম্পূর্ণ আনকোরা তর্জমাও করিতে পারেন। মন্তব্যের মধ্যে শুধু বলিব এই অনুবাদের পিছনে অত সময় ব্যয় করার দরকার আর যাহার থাকুক, আহমদ ছফার ছিল না। অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক একদা এক লেখায় — আহমদ ছফা লিখিত ইংরেজি ভ্রমণ কাহিনী ‘জার্মান পারস্পেক্টিব’ গ্রন্থের ভূমিকায় — বলিয়াছিলেন আহমদ ছফার উচিত কেবল বাংলায় লেখা। তাঁহার উচিত যোগ্য অনুবাদকের অপেক্ষায় থাকা। আমিও অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের প্রস্তাবে সায় না দিবার কোন কারণ দেখি নাই।

যাহা হৌক, আহমদ ছফার স্মৃতিকথা হইতে আমরা আরো একটি বিষয় জানিতে পারিয়াছি। প্রসঙ্গটি ফেলনা নহে। আহমদ ছফার লেখা হইতে অন্য অনেকের মত আমিও জানিতে পারিয়াছি,

১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আমেরিকায় জনমত গড়ে তোলার কাজে মেরি এবং [ড্যানিয়েল] ডানাহম সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পাকিস্তানি সৈন্যের নৃশংসতা এবং বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলার কাজে তাদের বাড়িটি একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশী তরুণেরা দলে দলে তাদের বাড়িতে এসে সমবেত হতেন এবং কিভাবে জনমত সৃষ্টি করা যায় সে বিষয়ে নানারকম পন্থা উদ্ভাবন করার জন্যে সর্বক্ষণ চেষ্টিত থাকতেন। এই সমস্ত তরুণকে মেরি এবং [ড্যানিয়েল] ডানাহম নিজ হাতে রান্নাবান্না করে খাইয়েছেন। (ছফা ২০১১: ১৫০)

মেরি ডানাহ্মের স্মৃতিকথা হইতে জানা যায়, তিনি ও  ড্যানিয়েল ডানাহ্ম ঢাকায় প্রথম আসিয়াছিলেন ইংরেজি ১৯৬০ সালের শরৎ কি হেমন্ত [ইংরেজি ‘ফল’] ঋতুতে। আসিয়াই তাহারা সে কালের শাহবাগ হোটেলে — এখন যেখানে স্নাতকোত্তর চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় — উঠিয়াছিলেন। ড্যানিয়েল ছিলেন হার্বার্ড বিশ্ববিদ্যালয় হইতে পাশ করা স্থপতি। তিনি অনেক কাজ করিয়াছিলেন ঢাকায়। তিনি ঢাকার প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। কমলাপুর রেল স্টেশনের নকশার সঙ্গেও গোড়ার দিকে তিনি জড়াইয়া ছিলেন।

১৯৬৮ সালের দিকে ড্যানিয়েল ডানাহ্ম কলিকাতায় চলিয়া যান। কিন্তু ঢাকার সহিত তাঁহার যোগাযোগ ক্ষুণœ হয় নাই। মেরি ডানাহ্ম উল্লেখ করিয়াছেন ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স (এখন সোহরাওয়ার্দী) উদ্যানে বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান যে ভাষণ দিয়াছিলেন ড্যানিয়েল ডানাহ্ম তাহাতেও উপস্থিত ছিলেন। তিনি পরের কয়েক সপ্তাহ অনেক বিদেশি ভদ্রমহিলার বহির্গমনে সাহায্য করেন। তিনি পরেও ঢাকায় আসিয়াছিলেন কয়েকবার। (উদ্দীন ২০১১: ১০৭)

মেরি ফ্রান্সিস ও ড্যানিয়েল ডানাহ্ম আহমদ ছফাকে তাঁহাদের নয়া ইয়র্ক বাসভবনে সাদর আপ্যায়ন করেন ১৯৯৯ সালে। আমার সহিত মেরির দেখা সাক্ষাৎ হইয়াছিল আমার বাসায়। সেটা ছিল নয়া ইয়র্ক শহরের একটি অতি দরিদ্র বস্তিতে। ব্রংকস নামক একটা বড় মহল্লার এক অখ্যাত গলিতে। আমি একটা ভাঙ্গা বাসায় থাকিতাম। সেই বাসায় তাঁহাকে কয়েক বেলা ডালভাত রান্না করিয়া খাওয়াইতে পারিয়াছিলাম আমি। ড্যানিয়েলের সহিত আমার কোনদিন দেখা হয় নাই। আমি এক কি দুইবার তাঁহার কণ্ঠস্বর শুনিয়াই তৃপ্ত হইয়াছিলাম। তাহাও নিছক যন্ত্রযোগে।

আহমদ ছফা মেরি ফ্রান্সিস সম্পর্কে বলিয়াছেন, তিনি ছিলেন ‘অত্যন্ত বিদূষী মহিলা’। তিনি বাংলাদেশে আসিয়া কবি জসীম উদদীনের সহিত পরিচিত হইয়াছিলেন। আর সেই সূত্রেই জারিগানের গুণগ্রহণ করেন। আহমদ ছফার কথা খানিক উদ্ধার করা চলে: ‘মেরীর পূর্বে কোন পশ্চিমা পণ্ডিত বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে কোন গ্রন্থাদি প্রকাশ করেননি। মেরী বাঙালি মুসলমান সমাজকে বৃহত্তর বাঙালি সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ধরে নিয়ে তার যে কতগুলো আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে [তা] তার গ্রন্থটিতে তুলে ধরেছেন।’

আর ড্যানিয়েল সম্পর্কে ছফার উক্তিও প্রণিধান করিবার মতন। তিনি বলিয়াছেন,

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অঞ্চলগুলোর গৃহনির্মাণ ব্যবস্থার প্রতি তিনি খুব গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করেছিলেন। একসময়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন যে, এ এলাকায় অধিকাংশ মানুষ গরীব। অধিকাংশ মানুষের ইট সিমেন্ট রড এগুলো ক্রয় করার সামর্থ্য থাকে না। কম খরচে কিভাবে গৃহনির্মাণের উপকরণ সংগ্রহ করা যায় তাই নিয়ে তিনি মাথা ঘামিয়েছিলেন এবং এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন [যে] মানুষ যদি চারপাশের প্রকৃতি থেকে গৃহনির্মাণের উপকরণ সংগ্রহ করতে পারে [তবে] কম খরচে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হয়ে উঠবে। (ছফা ২০১১: ১৫৩)

আহমদ ছফার আরো একটি উদ্ধৃতি প্রকাশ করিয়া এই নিবন্ধ শেষ করিব। আহমদ ছফা সাক্ষ্য দিয়াছেন ১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামের পক্ষে জনমত গঠন করার জন্য নানা ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান হইতে এই পরিবারটি চাঁদা তুলিয়া দিয়াছিলেন। লেখকের ভাষায়, ‘এই পরিবারটির কাছে আমাদের বাংলাদেশীদের অনেক ঋণ রয়েছে।’ বাংলাদেশের এমন অকৃত্রিম বন্ধু আমেরিকায় আর আছে কিনা,’ আহমদ ছফা বলিলেন, ‘আমি জানি না।’ (ছফা ২০১১: ১৫০)

 ২৩ জুলাই ২০১৩

দোহাই

১. আহমদ ছফা, ‘ড. ড্যানিয়েল ডানহাম এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রাম,’ [আজকের কাগজ, ২৮ জুন ২০০১], সংকলন: এবিএম সালেহ উদ্দীন সম্পাদিত, আহমদ ছফা: ব্যক্তি ও সমাজ (ঢাকা: বাড পাবলিকেশন্স, ২০১১), পৃ. ১৪৯-৫৪।
২. Mary Frances Dunham, ‘In Praise of Ahmed Sofa by one of his many friends,’ এবিএম সালেহ উদ্দীন সম্পাদিত, আহমদ ছফা: ব্যক্তি ও সমাজ (ঢাকা: বাড পাবলিকেশন্স, ২০১১), পৃ. ১০৪-১০।

 

৩০ জুলাই ২০১৩, সর্বজন: নবপর্যায় ১৯

Leave a Reply